পদার্থ

বিদ্যুৎ পরিবহন কাকে বলে এবং কিভাবে নিরাপদ বিদ্যুৎ পরিবহন করা যায়?

বিদ্যুৎ পরিবহন (Electrical Supply) কাকে বলে?

যখন দেশের এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় বিদ্যুৎ পরিবহন করতে হয় তখন সেটি অনেক উচ্চ ভল্টেজে নিয়ে যাওয়া হয়। বৈদ্যুতিক তারে বিদ্যুতের অপচয় কমানাের জন্য এটি করা হয়।  তােমরা জানাে তাপ হিসেবে প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ শক্তি ক্ষয় হয়। সেটি হচ্ছে IR কাজেই যদি বৈদ্যুতিক তারে কোনাে রােধ R না থাকত তাহলে তাপ হিসেবে কোনাে শক্তির অপচয় হতাে না।

কিন্তু সেটি বাস্তবসম্মত নয়, সব কিছুরই কিছু না কিছু রােধ থাকে।  তাই কারেন্ট বা বিদ্যুৎ প্রবাহ।  কমাতে পারলে তাপ হিসেবে শক্তি ক্ষয় IR এর মান কমানাে সম্ভব।  প্রতি সেকেন্ডে বৈদ্যুতিক শক্তি যেহেতু VI হিসেবে যায় তাই যদি পটেনশিয়াল দশ গুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয় তাহলে দশ গুণ কম কারেন্টে সমান শক্তি প্রেরণ করা সম্ভব।  দশ গুণ কম কারেন্ট প্রবাহিত হলে 100 গুণ কম তাপশক্তির অপচয় হবে। কারণ তারের রােধ R এর মান দুইবারই সমান।

এখানে তােমাদের মনে হতে পারে তাপশক্তির অপচয় ‘ হিসেবেও লেখা যায় তাই দশ গুণ বেশি ভােল্টেজ নেওয়া হলে 100 গুণ বেশি তাপশক্তির অপচয় কেন হবে না?

মনে রাখতে হবে আমরা যখন প্রতি সেকেন্ডে তাপশক্তির অপচয় হিসেবে বের করেছিলাম তখন V ছিল রােধের দুই পাশের বিভব পার্থক্য।  এখানে আমরা যখন v বলছি সেটি বৈদ্যুতিক তারের দুই পাশের বিভব পার্থক্য নয়।  এটি বৈদ্যুতিক তারের বিভবের মান। বৈদ্যুতিক তারের দুই পাশে বিভব প্রায় একই সমান। সেই পার্থক্য ধর্তব্যের মধ্যে নয়।

তড়িতের সিস্টেম লস কেন হয়?

আমরা জানি দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত পাওয়ার প্লান্টগুলােতে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করে। এই বিদ্যুৎকে প্রয়ােজন অনুসারে বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ পরিবহন করতে হয়।  বিদ্যুৎ বিতরণ করার জন্য প্রথমে বিভিন্ন এলাকার সাবস্টেশনে পাঠানাে হয়।  সাবস্টেশন থেকে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা ব্যবহার করে বিদ্যুৎ শক্তিকে একেবারে গ্রাহক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

বিদ্যুৎ শক্তিকে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় বিতরণ করার জন্য যে পরিবাহী তার ব্যবহার করা হয় কম হলেও তাদের এক ধরনের রােধ থাকে। একটা রােধের (R) ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ (I) হলে সব সময়ই (R) তাপ উৎপন্ন হয় এবং সেটি বিদ্যুৎ পরিবহন শক্তির লস বা ক্ষয়। এই লসকে বলা হয় সিস্টেম লসএকটা নির্দিষ্ট বিদ্যুৎ শক্তির জন্য যদি উচ্চ ভােল্টেজ বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয় তাহলে রােধজনিত তাপশক্তি হিসেবে লস কমে যায়।

সে জন্য বিদ্যুৎ কেন্দ্রে যে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করা হয় সেটিকে স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার দিয়ে উচ্চ ভােল্টেজে রূপান্তর করা হয়।  গ্রাহকদের ব্যবহারের জন্য বিদ্যুৎ শক্তিকে বিতরণ করার আগে স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার ব্যবহার করে সেটিকে আবার ব্যবহারযােগ্য ভােল্টেজ নামিয়ে আনা হয়।

See also  তড়িৎ বর্তনী কাকে বলে, কত প্রকার ও তড়িৎ বর্তনীর ব্যবহার

 

লােডশেডিং কেন হয়?

প্রত্যেকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করে এবং সবগুলাে বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যােগ হয়।

আগেই বলা হয়েছে এই বিদ্যুৎ স্থানীয় সাবস্টেশন (বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র) এর মাধ্যমে গ্রাহকদের মাঝে বিতরণ করা হয়। বিভিন্ন এলাকার চাহিদা অনুযায়ী জাতীয় গ্রিড বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। কোনাে এলাকায় বিদ্যুতের চাহিদা যদি উৎপাদন থেকে বেশি হয় তাহলে স্বাভাবিকভাবেই সেখানে প্রয়ােজনীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারে না। তখন সাবস্টেশনগুলাে এক এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করার জন্য অন্য একটি এলাকায় বিদ্যুৎ পরিবহন বা সরবরাহ বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়। এই প্রক্রিয়াটার নাম লােডশেডিং

সাবস্টেশন যখন আবার প্রয়ােজনীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ পায় তখন সেই এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করে। যদি একনাগাড়ে কয়েক ঘণ্টা লােডশেডিং করতে হয়।  তখন গ্রাহক পর্যায়ে লােডশেডিংকে সহনীয় করার জন্য কর্তৃপক্ষ চক্রাকারে বিভিন্ন জায়গা আলাদা আলাদা সময়ে লােডশেডিং করে থাকে। বিদ্যুৎ পরিবহন

কিভাবে নিরাপদ বিদ্যুৎ পরিবহন করা যায় (safe Use of Electricity)?

বিদ্যুৎ ছাড়া আমরা এখন এক মুহূর্তও চিন্তা করতে পারি না। আমাদের ঘরে এটি আলাে সরবরাহ করে, গরমের সময় ফ্যান চালিয়ে এটা আমাদের শীতল রাখে। এটা দিয়ে আমরা টেলিভিশন চালাই, কম্পিউটার চালাই। খাবার সংরক্ষণ করার জন্য এটা দিয়ে ফ্রিজ চালানাে হয়। কাপড় ইস্ত্রি করার জন্য এটি ব্যবহার করা হয়। আমাদের মােবাইলের ব্যাটারি শেষ হয়ে গেলে আমরা এই বিদ্যুৎ দিয়ে ব্যাটারি চার্জ করি।

বিলাসী মানুষ বিদ্যুৎ দিয়ে বাসায় এসি ব্যবহার করে, কাপড় ধােয়ার জন্য ওয়াশিং মেশিন ব্যবহার করে, ইলেকট্রিক হিটার দিয়ে রান্না করে। মাইক্রোওয়েভ ওভেনে খাবার গরম করে।  বাসার বাইরে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, ক্ষেত-খামার, কারখানা, হাসপাতাল এসবের কথা বিবেচনা করলে আমরা বিদ্যুতের ব্যবহারের কথা বলে শেষ করতে পারব না।

আমাদের দেশে সাধারণত বিদ্যুৎ 220 v (AC) হিসেবে সরবরাহ করা হয়, এই বিদ্যুতের ভল্টেজের পরিমাণ মানুষকে ইলেকট্রিক শক দিতে পারে এমনকি সেই শকে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে। তাই সকল বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি এমনভাবে তৈরি করা হয় যেন ভুলেও কখনাে কেউ সরাসরি এর সংস্পর্শে চলে না আসে। সরাসরি হৃৎপিণ্ডের ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ চলে গেলে মাত্র 10 mA বিদ্যুতেই মানুষ মারা যেতে পারে।

 

ধাতু বিদ্যুৎ পরিবহন করে কেন?

বিদ্যুৎ কি- ইলেকট্রনের চলাচলকে বিদ্যুৎ বলে। যেহেতু শেষ ইলেকট্রনের সাথে ধাতু গুলোর পরমাণুর নিউক্লিয়াসের আকর্ষন খুবই দূর্বল তাই ধাতুগুলোর শেষ শক্তি স্তরের ইলেকট্রন গুলো উত্তেজিত অবস্থায় এক পরমাণু থেকে আর এক পরমাণুতে চলে যেতে পারে তাই ধাতু বিদ্যুৎ পরিবহন করে।

See also  ট্রানজিস্টর কি এবং ট্রানজিস্টর কিভাবে কাজ করে?

 

বিদ্যুৎ পরিবহন Safe Use of Electricity

ব্যবহার করার জন্য আমরা যে বিদ্যুৎ ব্যবহার করি সেটি AC এবং AC বিদ্যুৎ DC বিদ্যুৎ থেকে প্রায় 5 গুণ বেশি ক্ষতিকর। শুকনাে অবস্থায় মানুষের চামড়ার রােধ প্রায় 30,000 থেকে 50,000 হলেও ভেজা অবস্থায় সেটি হাজার গুণ কমে আসে। কাজেই ও’মের সূত্র ব্যবহার করে আমরা দেখাতে পারি আমাদের দেশের 220 V শরীরের ভেতর দিয়ে মানুষকে মেরে ফেলার মতাে বিদ্যুৎ প্রবাহ করতে পারে। যখন কেউ ভেজা মাটিতে ভেজা পা নিয়ে দাঁড়ানাে অবস্থায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয় সেটি হয় সবচেয়ে বিপজ্জনক। বিদ্যুৎ পরিবহন

যখন কেউ হঠাৎ করে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয় তখন শরীরের ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহের কারণে হাত-পা নাড়াতে পারে না। তাই বিপজ্জনক পরিস্থিতি থেকে নিজেকে সরিয়ে আনার কথা বুঝতে পারলেও সেখান থেকে সরে আসতে পারে না।

আমরা যে বিদ্যুৎ ব্যবহার করি সেটি যথেষ্ট বিপজ্জনক হতে পারে।  কিন্তু সাধারণ সতর্কতা বজায় রাখলেই নিরাপদে বিদ্যুৎ ব্যবহার করা যায় এবং সারা পৃথিবীতে কোটি কোটি মানুষ প্রতি মুহূর্তে নিরাপদে বিদ্যুৎ ব্যবহার করছে।

 

বিদ্যুৎ পরিবহন নিরাপদভাবে ব্যবহার করার জন্য নিচের কয়েকটা বিষয় জানা থাকা প্রয়ােজন

বিদ্যুৎ অপরিবাহক আস্তরণ

বিদ্যুতের খােলা তার বিপজ্জনক তাই সব সময়ই সেটা প্লাস্টিক বা অন্য কোনাে ধরনের বিদ্যুৎ অপরিবাহী একটা আস্তরণ দিয়ে ঢাকা থাকে।

যদি কোনাে কারণে শর্ট সার্কিট হয় অর্থাৎ সরাসরি কোনাে রােধ ছাড়াই পজিটিভ এবং নেগেটিভ স্পর্শ করে ফেলে তখন ও’মের সূত্র অনুযায়ী অনেক বেশি বিদ্যুৎ প্রবাহ হয়। তার গরম হয়ে যায়, প্লাস্টিক পুড়ে গিয়ে আগুন পর্যন্ত ধরে যায়। তাই সব সময়ই সতর্ক থাকতে হয় যেন বৈদ্যুতিক তারের ওপর অপরিবাহী। আস্তরণটা অবিকৃত এবং অক্ষত থাকে।

ভালাে সংযােগ

যখন কোনাে বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করার সময় অনেক বিদ্যুৎ ব্যবহার হয় তখন বৈদ্যুতিক সংযােগগুলাে খুব ভালাে হতে হয়।

বৈদ্যুতিক সংযােগ ভালাে না হলে সেখানে বাড়তি রােধ তৈরি হয় এবং 12R হিসেবে সেটা উত্তপ্ত হয়ে যেতে পারে, উত্তপ্ত হয়ে অপরিবাহী আস্তরণ পুড়ে যেতে পারে, বৈদ্যুতিক সংযােগ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

আর্দ্রতা

পানি বিদ্যুৎ পরিবাহী, কাজেই কোনাে বৈদ্যুতিক সার্কিটে পানি ঢুকে গেলে সেখানে শর্ট সার্কিট হয়ে বিপজ্জনক অবস্থা হতে পারে।

হেয়ার ড্রায়ার বা ইস্ত্রির মতাে জিনিস পানির কাছাকাছি।ব্যবহার করা খুব বিপজ্জনক, হঠাৎ করে পানিতে পড়ে গেলে এবং সেই পানি কেউ স্পর্শ করলে বৈদ্যুতিক শক খেয়ে অনেক বড় বিপদ হতে পারে।
সার্কিট ব্রেকার এবং ফিউজ

See also  কোরিওলিস বল কাকে বলে এবং কোরিওলিস বলের ধারণা ও এর প্রভাব?

বিদ্যুতের বড় বড় দুর্ঘটনা হয় যখন হঠাৎ করে কোনাে একটা ত্রুটির কারণে অনেক বেশি বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়।

হঠাৎ করে বিপজ্জনক বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ করার জন্য সার্কিট ব্রেকার কিংবা ফিউজ ব্যবহার করা হয়। সার্কিট ব্রেকার এমনভাবে তৈরি করা হয় যে এর ভেতর থেকে নিরাপদ সীমার বেশি বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলেই সার্কিট ব্রেক (বিচ্ছিন্ন) করে দেয়। ফিউজ সে তুলনায় খুবই সরল একটা পদ্ধতি, একটি যন্ত্রে যে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয় সেটি যন্ত্রে ঢােকানাের আগে সরু একটা তারের ভেতর দিয়ে নেওয়া হয়। বিদ্যুৎ পরিবহন

যদি কোনাে কারণে বেশি বিদ্যুৎ যাওয়ার চেষ্টা করে ফিউজের সরু তার সেই (রােধ বেশি, কাজেই 12R বেশি অর্থাৎ তাপ বেশি) বিদ্যুতের কারণে উত্তপ্ত হয়ে পুড়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে ফেলে।

সঠিক সংযােগ কিভাবে দূর্ঘটনা থেকে রক্সা করে

বিদ্যুৎ সরবরাহে সব সময়ই দুটি তার থাকে, একটিতে উচ্চ বিভব (জীবন্ত বা Live) অন্যটি ভল্টেজহীন নিরপেক্ষ (Neutral)।

একটা যন্ত্র যখন ব্যবহার করা হয় তখন Live তার থেকে বিদ্যুৎকে যন্ত্রের ভেতর দিয়ে ঘুরিয়ে নিরপেক্ষ তার দিয়ে তার উৎসে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। ভােল্টেজহীন নিরপেক্ষ তারটি নিরাপদ কিন্তু উচ্চ বিভবের তারটিকে সতর্কভাবে ব্যবহার করতে হয়। কোনাে যন্ত্রপাতিতে যখন একটা সুইচ দিয়ে বিদ্যুতের সংযােগ দেওয়া হয় তখন সুইচটি উচ্চ ভােল্টজের তার কিংবা নিরপেক্ষ তার দুটিতেই দেওয়া যায়।

বুদ্ধিমানের কাজ হয় যখন সুইচটি লাগানাে হয় উচ্চ ভােল্টেজের তারের সাথে তাহলে শুধু যখন যন্ত্রটি চালু করা হয় তখনই উচ্চ ভােল্টেজ যন্ত্রের ভেতর প্রবেশ করে। যখন যন্ত্রটি বন্ধ থাকে তখন যন্ত্রের ভেতর কোথাও উচ্চ ভােল্টেজ থাকে না। বিদ্যুৎ পরিবহন

গ্রাউন্ড

তােমরা যদি তােমাদের বাসায় স্কুলে কিংবা অন্য কোথাও বিদ্যুতের সংযোেগ লক্ষ করে থাকো।  তাহলে দেখবে সব সময় অন্তত দুটি সংযােগ থাকে, একটি উচ্চ ভােল্টেজ অন্যটি নিউট্রাল।

কিন্তু সেই বিদ্যুতের সাথে যদি মূল্যবান কোনাে যন্ত্র যুক্ত করা হয় (যেমন কম্পিউটার, ফ্রিজ)।  তাহলে দেখবে সেখানে উচ্চ বিভব আর নিউট্রাল ছাড়াও তৃতীয় একটা সংযােগ থাকে, যেটি হয়ে ভূমি সংযােগ বা ground. সাধারণত এটা যন্ত্রপাতির ঢাকনা বা কাঠামােতে লাগানাে থাকে।

যদি কোনাে দুর্ঘটনায় যন্ত্রপাতিটি বিদ্যুতায়িত হয়ে যায় তাহলে ঢাকনা বা কাঠামােটি থেকে ভূমিতে সরাসরি বিদ্যুৎ প্রবাহ হয়ে যায়। বিদ্যুতের এই প্রবাহের কারণে সাধারণত ফিউজ পুড়ে যন্ত্রটি বিপদমুক্ত হয়ে যায়। কাজেই কেউ যদি ভুলে যন্ত্রটি স্পর্শ করে তার ইলেকট্রিক শক খাওয়ার আশঙ্কা থাকে না। বিদ্যুৎ পরিবহন

Related Articles

Back to top button