চাকরির প্রস্তুতি

প্রাইমারি ভাইভার পূর্ব প্রস্তুতি । কিভাবে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক ভাইভা প্রস্তুতি নিবেন

প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক ভাইভা বা মৌখিক পরীক্ষার প্রস্তুুতি

প্রাইমারি ভাইভার পূর্ব প্রস্তুতি জরুরি পোস্ট (সময়ের আগেই দিলাম)।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহনের জন্য স্বীকারপত্র সংগ্রহ করতে হবে। আগামী ২৩ মে এর মধ্যে নিজ নিজ জেলার প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে এই পত্র সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে।

শনিবার (১৪ মে) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পলিসি এন্ড অপারেশন) মনীষ চাক্‌মা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। প্রাইমারি ভাইভার পূর্ব প্রস্তুতি

 

প্রাইমারি সহকারী শিক্ষক ভাইভা বা মৌখিক পরীক্ষার প্রস্তুুতি

শিক্ষক নিয়োগে প্রাইমারি ভাইভার পূর্ব প্রস্তুতি

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ভাইভা অন্যান্য চাকরির ভাইভা থেকে অনেকটা আলাদা। প্রার্থীর নিজ জেলা ও উপজেলা থেকে সাধারণত প্রশ্ন করা হয়। এখানে মূলত সহজ প্রশ্নই করা হয়, তার পরও অনেকে পারেন না। কেউ কেউ উত্তর জানা থাকলেও ঘাবড়ে যান, ঠিকঠাক বলতে পারেন না। প্রাইমারি ভাইভার পূর্ব প্রস্তুতি

যদি সত্যিই কোনো প্রশ্নের উত্তর না জানেন, তাহলে হাসিমুখেই বলে দিন, ‘দুঃখিত স্যার। ’ মানসিক বল আর আত্মবিশ্বাসের পাশাপাশি ভাইভায় ভালো করার সাধারণ কিছু বিষয় আছে।

 

ভাইভা বোর্ড

সাধারণত ডিসির নেতৃত্বে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ডিপিইও) ও জেলার সরকারি কলেজের একজন অধ্যাপক বা সহযোগী অধ্যাপককে নিয়ে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি ভাইভা বোর্ড গঠন করা হয়। বোর্ডে এর চেয়ে বেশি সদস্যও থাকতে পারেন।

 

ড্রেস কোড

ভাইভা বোর্ডে আপনার পোশাক, অ্যাপিয়ারেন্স, এক্সপ্রেশন, এটিকেট, ম্যানার—এ বিষয়গুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ। প্রার্থীর এসব বিষয় বোর্ডের সদস্যরা খেয়াল করেন। তাই ভাইভার সময় নিজের জন্য উপযুক্ত পোশাক নির্বাচন করুন।

 

ছেলেদের ড্রেস

শার্ট : সাদা ফুলশার্ট। সাদার ওপর যেকোনো স্ট্রাইপ হলেও চলবে। অন্য রঙের মানানসই শার্টও পরতে পারেন। পকেটে একটি কলম রাখবেন।

প্যান্ট : কালো রঙের ফরমাল প্যান্ট পরুন।

হাতঘড়ি, বেল্ট ও জুতা : চামড়ার ফিতার ফরমাল হাতঘড়ি, জুতা ও প্যান্টের সঙ্গে ম্যাচ করে কালো রঙের চামড়ার বেল্ট পরুন। কালো রঙের, রাবারের সোলযুক্ত ফরমাল শু পরিধান করবেন। টাই পরার প্রয়োজন নেই। যাঁরা পাঞ্জাবি-পাজামা পরতে চান, সাদা রঙের পরতে পারেন। ভাইভার পাঁচ-ছয় দিন আগে চুল কাটিয়ে নিন। ভাইভার দু-এক দিন আগে নখ ছোট করে নিন। ভাইভার আগের দিন বা ভাইভার দিন সকালে শেভ করে নিন। প্রাইমারি ভাইভার পূর্ব প্রস্তুতি

 

মেয়েদের ড্রেস

মার্জিত রঙের শাড়ি পরিধান করতে পারেন। তবে শাড়ি যেন অতিমাত্রায় কারুকাজের চকমকে না হয়, সেই দিকটা খেয়াল রাখুন। চাইলে সালোয়ার-কামিজও পরতে পারেন। তবে তা যেন মার্জিত রং ও ডিজাইনের হয়। অর্থাৎ শাড়ি কিংবা সালোয়ার-কামিজ যা-ই পরেন, যেন ম্যাচ হয়। স্বাভাবিক মাপের কানের দুল এবং চেন পরতে পারেন। চুল বেণি করে রাখবেন। পায়ের জুতা শাড়ি বা সালোয়ার-কামিজের সঙ্গে ম্যাচ করাতে পারলে ভালো হয়। তবে হাই হিল না পরাই ভালো। হালকা মেকআপ এবং মার্জিত রঙের হালকা লিপস্টিক দিতে পারেন। সঙ্গে কালো কালির কলম রাখুন। প্রাইমারি ভাইভার পূর্ব প্রস্তুতি

See also  কিভাবে ভাইভার প্রস্তুতি নিবেনঃ চাকরির ভাইভা টিপস

ভাইভার জন্য যা যা পড়বেন বা জেনে রাখবেন

১. আপনার এবং আপনার মা-বাবার নামের অর্থ কী?

২. আপনার নামের সঙ্গে সম্পৃক্ত বিখ্যাত ব্যক্তির নাম।

৩. আপনার বংশপরিচয় বা নামের সঙ্গে পদবি থাকলে সে সম্পর্কিত কিছু তথ্য।

৪. আপনার গ্রাম, ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা ইত্যাদির নাম, আদি নাম ও নামকরণের ইতিহাস জেনে রাখুন।

৫. আপনার জেলা বিখ্যাত কেন? জেলার বিখ্যাত স্থান, নদীর নাম, পণ্য, ঐতিহ্য ইত্যাদি জেনে রাখুন।

৬. আপনার জেলার শিল্প-সাহিত্য, সংস্কৃতি, রাজনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের ক্ষেত্রে বিখ্যাত ব্যক্তি ও তাঁদের সৃষ্টিকর্ম ও অবদান।

৭. আপনি যে প্রতিষ্ঠান থেকে অনার্স/মাস্টার্স করেছেন, ওই প্রতিষ্ঠানের পুরো নাম, প্রতিষ্ঠাকাল, বর্তমান ভিসি বা প্রিন্সিপালের নাম জেনে নেবেন।

৮. ভাইভার দিনের ইংরেজি, বাংলা ও আরবি তারিখ জেনে যাবেন। বিশেষ দিবস হলে সে সম্পর্কে জেনে যাবেন।

৯. ছোট ছোট ট্রান্সলেশন জিজ্ঞেস করতে পারে। তাই সেগুলো চর্চা করুন।

১০. সাম্প্রতিক বিষয়াবলি এবং বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত কয়েকজন কবি সম্পর্কে ধারণা রাখতে পারেন।

১১. নিজের সম্পর্কে বলতে বলা এখন বেশির ভাগ ইন্টারভিউ বোর্ডের একটা কমন প্রশ্ন। তাই বাংলা ও ইংরেজিতে নিজের সম্পর্কে বলার প্র্যাকটিস করুন।

১২. যে বিষয়ে অনার্স-মাস্টার্স করেছেন, বিষয়ের ওপর স্বচ্ছ ধারণা নিয়ে ইন্টারভিউ বোর্ডে উপস্থিত হোন।

১৩. মুক্তিযুদ্ধ এবং বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে বিশদ ধারণা গ্রহণ করুন।

১৪. প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বর্তমান সরকারের সফলতা ও অর্জন সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা গ্রহণ করুন।

১৫. প্রাথমিক শিক্ষা সম্পর্কিত কিছু তথ্য—শিক্ষার হার, কতগুলো প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে, বই দিবস, উপবৃত্তি, মন্ত্রী ও সচিবের নাম ইত্যাদি।

১৬. ভিশন ২০২১, ভিশন ২০৪১, মুজিববর্ষ, মেগাপ্রজেক্টস্, এসডিজি, এমডিজি ইত্যাদি দেখতে পারেন।

 

সহায়ক বই

১. প্রফেসরস্ প্রাথমিক শিক্ষক ভাইভা সহায়িকা।

২. বিসিএস শর্টকাট (সম্পূর্ণ সিরিজ) ও অ্যাশিউর্যান্স বিসিএস ভাইভা সহায়িকা (মুক্তিযুদ্ধ)।

৩. অনার্স-মাস্টার্সের মেজর সাবজেক্টের বেসিক বই।

৪. ইন্টারনেট।

৫. দৈনিক পত্রিকা, কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স ইত্যাদি।

পরীক্ষার দিনের প্রস্তুতি

১. নির্ধারিত সময়ের বেশ আগেই প্রস্তুতি সেরে ফেলতে হবে।

২. যেসব কাগজপত্র বোর্ডের সামনে পেশ করতে হবে সেগুলো, প্রবেশপত্র, সব সার্টিফিকেটের মূল কপি এবং অন্যান্য কাগজপত্র আগেই গুছিয়ে নিতে হবে।

৩. পরিপাটি হয়ে বোর্ডে উপস্থিত হবেন।

৪. নির্দিষ্ট সময়ের অন্তত ৩০ মিনিট আগে নির্ধারিত স্থানে পৌঁছবেন।

৫. আপনার সিরিয়াল পরে থাকলে যাঁদের ভাইভা হয়ে যাবে, তাঁদের কাছ থেকে ধারণা নিতে পারেন। কোনো বিষয়বস্তু না জানা থাকলে ভাইভার আগ মুহূর্তে বই ঘাঁটাঘাঁটি করবেন না। কারণ আপনার কাছে ওই প্রশ্ন না-ও জানতে চাইতে পারে। তবে অন্য কেউ পারলে তাঁর কাছ থেকে সংক্ষেপে জেনে নিতে পারেন। প্রাইমারি ভাইভার পূর্ব প্রস্তুতি

See also  ব্যাংকিং কেন আপনি ক্যারিয়ার হিসেবে নিতে চান তা ইংরেজিতে বলুন

 

ভাইভা বোর্ডে করণীয়

১. ভেতরে ঢোকার অনুমতি নিয়ে একটু সামনে গিয়ে যাঁর যাঁর ধর্মীয় রীতিতে অভিবাদন জানাবেন। তারপর চেয়ারের পাশে দাঁড়াবেন। বসতে বললে ধন্যবাদ দিয়ে বসবেন। খেয়াল রাখবেন—চেয়ারে যেন শব্দ না হয়।

২. যিনি প্রশ্ন করবেন, তাঁর দিকে তাকিয়ে চোখে চোখ রেখে তাঁর প্রশ্নের উত্তর দেবেন। কথা বলার সময় অপ্রয়োজনীয় হাত-পা নাড়াবেন না।

৩. উত্তর দেওয়ার ক্ষেত্রে অল্প কথায় এবং সঠিক পয়েন্টে উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করুন। অপ্রাসঙ্গিকতা পরিহার করুন।

৪. কথা বলার সময় আঞ্চলিকতা পরিহার করবেন।

৫. ঘাবড়াবেন না, রাগবেন না, তর্ক করবেন না, বেয়াদবি করবেন না।

৬. জানা না থাকলে হাসিমুখে ‘দুঃখিত স্যার’ অথবা ‘জানা নেই স্যার’ বলুন।

৭. নাচ, গান, আবৃত্তি, অভিনয়—এগুলোতে আপনার দক্ষতা না থাকলে বিনয়ের সঙ্গে বলুন, ‘পারি না স্যার। ’ তবে আপনি পারেন—এমন কোনো কিছুর কথাও বিনয়ের সঙ্গেই বলবেন।

৮. আপনার ভাইভা শেষ হলে আপনাকে চলে যাওয়ার অনুমতি দিলে উঠে দাঁড়িয়ে সালাম দিয়ে চলে আসবেন।

 

ওপরে বর্ণিত পড়াশোনার পরিধি যাঁদের কাছে পীড়াদায়ক মনে হচ্ছে, তাঁদের উদ্দেশে আমার পরামর্শ—যাঁর যাঁর সাধ্য অনুযায়ী প্রস্তুতি গ্রহণ করুন। কারণ আপনি পারবেন না এমন প্রশ্ন খুব কমই জিজ্ঞেস করা হবে। তবে ভাইভায় ভালো করলে চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে—এটা একটা ব্যাপার যেহেতু, সেহেতু নিজের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য একটু পরিশ্রম করে পড়ালেখা করাই ভালো। প্রাইমারি ভাইভার পূর্ব প্রস্তুতি

প্রাইমারী ভাইভার নম্বর বণ্টন

ভাইভায় ২০ নম্বর। লিখিত পরীক্ষায় ছিল ৮০। ভাইভায় পাস করলে মোট ১০০ নম্বরের মধ্যে আপনি কত পেলেন, তার আলোকে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হবে। ভাইভার ২০ নম্বরের বণ্টন—

* ভাইভা বোর্ডে নিজেকে ঠিকভাবে উপস্থাপনের জন্য ৫ নম্বর।

* একাডেমিক ফলাফলের ওপর ৫ নম্বর।

* আপনার জ্ঞান (নিজের মেজর সাবজেক্ট ও অন্যান্য বিষয়) যাচাই ৫ নম্বর।

* সহশিক্ষা কার্যক্রমে (নাচ, গান, অভিনয়, কবিতা আবৃত্তি, খেলাধুলা, স্কাউটিং ইত্যাদি) ৫ নম্বর।

উল্লিখিত নম্বর বণ্টনে কিছুটা ব্যতিক্রমও ঘটতে পারে। প্রাইমারি ভাইভার পূর্ব প্রস্তুতি

 

প্রাইমারী ভাইভার নম্বর বণ্টন

 

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ভাইভার পূর্বপ্রস্ততি সাপেক্ষে যা যা জমা দিতে হবে।

  1. আবেদনপত্রে আপলোডকৃত ছবি (ওই ছবিই লাগবে)
  2. আবেদনপত্রের কপি (আগেরটা না থাকলে নতুন করে সুযোগ দিবে আশা করি। এসব কাগজপত্র সযত্নে রাখতে হয়)
  3. প্রবেশপত্রের ফটোকপি
  4. চারিত্রিক ও নাগরিকত্ব সনদ
  5. জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি।
  6. শিক্ষাগত যোগ্যতার সকল সনদের ফটোকপি।

 

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ভাইভার পূর্বপ্রস্ততি সাপেক্ষে যা যা জমা দিতে হবে।

যা মনে রাখবেন

  • সকল কাগজপত্র ১ম শ্রেণীর কর্মকর্তা (বিসিএস ক্যাডার বেস্ট) কর্তৃক সত্যায়িত করতে হবে।
  • সকল কাগজপত্রের মূলকপি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এর সামনে প্রদর্শন করতে হবে।
See also  সরকারী চাকরিতে কোন পদের কি কাজ? আসুন জেনে নেই

প্রশ্নোত্তর

  • আবেদনপত্রে যে শিক্ষা/ডিগ্রী উল্লেখ করেছেন সে কাগজ অবশ্যই লাগবে। সকল সনদের কথা বলেছে, পারলে নম্বরপত্রও সাথে রাখবেন।
  • কোন কাগজ হারাইলে দ্রুত সংগ্রহ করার ট্রাই করুন কারন মেইন কপি ২৩ তারিখের আগে দেখাতে হবে (যেদিন কাগজ জমা দিবেন) এবং ভাইবাতেও লাগবে।
  • প্রাইমারি নিয়োগের আবেদন পত্রে কোন ধরনের ভুল থাকলে এখনই তা সংশোধনের জন্য নিজহাতে একটা আবেদন লিখে রাখেন। যেদিন কাগজ জমা দিবেন সেদিন জেলা অফিসারের সাথে কথা বলে নিবেন। জমা নিতে চাইলে আবেদন জমা দিবেন।
  • নিজেকেই জমা দিতে যেতে হবে। কাগজ ২-৩ কপি করে রাখবেন, বেশি হলে সমস্যা নাই।
  • এনআইডিতে স্বাক্ষর আর প্রাইমারি আবেদনের স্বাক্ষরের কোন সম্পর্ক নাই। আবেদনে যে স্বাক্ষর দিয়েছেন সেই স্বাক্ষর নিয়োগের সকল কাজে একই রকম হতে হবে।
  • এনআইডি আর এসএসসি সনদের তথ্য এক থাকলে আর কোন সমস্যা নাই। শিক্ষার সকল সনদের নিজের তথ্য আর এনআইডি তথ্য এক থাকলে কোথাও সমস্যায় পরবেন না। তাই দুটা একইরকম করার ট্রাই করুন। এনআইডি সংশোধনে থাকলে কাগজ জমা দেওয়ার সময় জেলা অফিসে বিষয়টা খুলে বলবেন।
  • সকল কাগজ জমা দিবেন আপনার স্থায়ী ঠিকানার জেলা শিক্ষা অফিসে। মানে আপনি যে জেলার আন্ডারে থাকা উপজেলার হয়ে পরীক্ষা দিয়েছেন সে জেলাতে।
  • নাগরিক সনদ আর চেয়ারম্যান / পৌর মেয়র/ সিটি মেয়র সনদ একই। এনারাই আপনাকে নাগরিকত্ব সনদ দিবেন। অবশ্যই বর্তমান যারা দায়িত্বে তাদের কাছেই সনদ নিবেন। চারিত্রিক সনদ আলাদা।
  • বিবাহিত আপুরা তাদের আবেদনের সময় যপ স্থায়ী ঠিকানা দিয়েছেন সেখানকার চেয়ারম্যান / মেয়রের কাছে নাগরিক সনদ নিবেন, সেটাই জমা দিবেন, নিয়োগও সে উপজেলাতে হবে।
  • আলাদা কোন ভাইবা কার্ড দিবে না, আপনি যেদিন সকল কাগজ জমা দিবেন সেদিন ওনারা একটা “প্রাপ্তি স্বীকার” কাগজ দিবে (আপনি কাগজ জমা দিছেন তার প্রমাণ) ওটাই সাথে নিয়ে যাবেন ভাইবার দিন, সাথে মেইন কাগজপত্র।
  • যারা মানোন্নয়ন পরীক্ষা দিয়ে রেজাল্ট আগের চেয়ে বেশি হয়েছে তারাও নিয়োগের আবেদন পত্র সংশোধনে জন্য দরখাস্ত জমা দিবেন। এবং মানোন্নয়ন এর পরের সনদ জমা দেওয়ার চেষ্টা করবেন। আপনার রেজাল্ট ভালটাই তো রাখা বেশি ভাল তাই না?
  • পোষ্য কোটার সনদ নিজ উপজেলার শিক্ষা অফিস থেকে নিতে পারবেন।
  • আপনি যদি এখন মাস্টার্স/ এমবিএ/ আরও কোন যোগ্যতা অর্জন করেন তবে সে কাগজও নিয়ে যাবেন, এবং জমা দিবেন। ভাইবাতে এটা আপনার উপকারই করবে।।।

 

ভাইবা হয়তো জুনের প্রথম থেকেই শুরু হবে তাই কাল থেকেই কাজ শুরু করেন। আরও কোন জানার থাকলে কমেন্ট করে রাখেন, সময় করে উত্তর দিবো। প্রাইমারি ভাইভার পূর্ব প্রস্তুতি

Related Articles

Back to top button